কায়াকিং / বাংলাদেশ / নদী সংরক্ষণ
তিস্তা-টেকনাফ অভিযান: কায়াকে একা বাংলাদেশে ৪৮ দিন
উত্তরের সীমান্তের কাছে তিস্তা থেকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ—বাংলাদেশের নদীপথে ৯৫০ কিলোমিটারের বেশি একক কায়াক অভিযান, ২৫ জেলা আর ৪৮ দিনের যাত্রা।

পানির কাছ থেকে দেখা বাংলাদেশ
সমুদ্রের সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় বইয়ের পাতায়। ছোটবেলায় নাবিকদের গল্প পড়ে কখনো আটলান্টিক, কখনো প্রশান্ত মহাসাগরে ঘুরে বেড়াতাম। বড় হয়ে নাবিক হওয়া হয়নি, কিন্তু ঘুরে বেড়ানোর অস্থিরতা রয়ে গেছে।
অনেক পরে সিলেটের সুরমায় এসে নদীর সঙ্গে অন্য রকম পরিচয় হলো। সেতু দিয়ে নদী পার হওয়া আর নদীর সঙ্গে চলা এক অভিজ্ঞতা নয়। শান্ত পানি, নদীপাড়ের ঘরবাড়ি, দীর্ঘ সন্ধ্যা আর মানুষের আপ্যায়ন আমাকে টেনে নিল। নদীমাতৃক দেশের মানুষ হয়েও নিজের নদীগুলো কত কম দেখা হয়েছে, সেটা তখন বুঝতে শুরু করলাম।
ফিরে এসে মুনিম চৌধুরীর সঙ্গে ঠিক করলাম, এবার বাংলাদেশকে জলপথে দেখব। কায়াক আমাদের পছন্দ হলো—ইঞ্জিনের শব্দ নেই, ধোঁয়া নেই; বৈঠা চালিয়ে চলা যায়, কৌতূহল হলে থামা যায়। কিন্তু কায়াক পাব কোথায়? ফিনল্যান্ডে থাকা কায়াকিং প্রশিক্ষক শিহাব ভাই তাঁর সাভারের বাড়িতে পড়ে থাকা কায়াকটি আমাদের দিয়ে দিলেন। ধলেশ্বরী ধরে সেটি সদরঘাটের দিকে নিয়ে এলাম। ছোট ছোট যাত্রায় শুরু হলো শেখা।
জুনে রাজশাহী থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত নয় দিনের পদ্মা অভিযান শেষে মাথায় এল আরও বড় ভাবনা। একা কায়াকে বাংলাদেশের উত্তর থেকে দক্ষিণে যাব। তিস্তা থেকে টেকনাফ।
পরিকল্পনা ছিল আমার, সময়সূচি নদীর
তিস্তা থেকে ব্রহ্মপুত্র–যমুনা, তারপর পদ্মা ও মেঘনা। সেখান থেকে জোয়ারভাটার মোহনা পেরিয়ে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ধরে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ। পরিকল্পনা ছিল প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পথ ৩০ দিনে শেষ করার। প্রস্তুতিতে সময় লাগল, তারপর ঘূর্ণিঝড়ের কারণে আবার পিছিয়ে গেল শুরু।
১৮ অক্টোবর ২০২৫, ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে নীলফামারীর ডিমলার দোহল গ্রামের পাশ থেকে কায়াক পানিতে নামালাম। ৪ ডিসেম্বর শাহপরীর দ্বীপে পৌঁছালাম। শেষ পর্যন্ত ২৫ জেলা পেরিয়ে ৪৮ দিনে ৯৫০ কিলোমিটারের বেশি পথ চলেছি। পরিকল্পিত দূরত্ব আর শেষ করা দূরত্ব এক নয়। সময়ের হিসাবটাও নদী নিজের মতো করে নিয়েছে।
নিচের ছবিতে দেখা তিস্তা ব্যারাজ আমার অভিযান শুরুর স্থান থেকে প্রায় ১০–১২ কিলোমিটার ভাটিতে।



শুকনো তিস্তা, উদার উত্তরবঙ্গ
শুরুতেই তিস্তার পানি প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। অনেক অগভীর জায়গায় বৈঠা চালানো সম্ভব নয়। নেমে দড়ি বেঁধে কায়াক টেনে নিতে হয়েছে। রোদের তাপে সেই ধীর পথ চলা আরও ক্লান্তিকর হয়ে উঠত। তিস্তা ছেড়ে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনায় নেমে উত্তরবঙ্গের নদীপাড় ধরে এগিয়েছি পাবনার দিকে।


কিন্তু উত্তরের কথা ভাবলে আগে মনে পড়ে মানুষ। কুড়িগ্রামের বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে চন্দন দার বাড়িতে কায়াক রেখেছিলাম। সন্ধ্যায় নদীর পাশে গান হলো, বৌদি সবার জন্য রান্না করলেন। পরে আসগর আলী চাচার বাড়িতে গিয়ে দেখি আরেক বেলার খাবার অপেক্ষা করছে। পরদিন খিচুড়ি আর চায়ের পর রওনা হওয়ার সময় এক চাচি রুটি ও চিনি দিয়ে গেলেন। আরেকজন সামান্য ভাজা বাদাম এগিয়ে দিয়ে বললেন, দেওয়ার মতো তেমন কিছু নেই।
এক রাতের অতিথি হয়ে এসেছিলাম। চলে যাওয়ার সময় মনে হচ্ছিল অনেক দিনের আপনজনদের ছেড়ে যাচ্ছি। ছাপড়া–সাঘাটা, কাজিপুর আর যমুনাপাড়ের জনপদগুলোতেও এমন ভালোবাসা পেয়েছি। অচেনা মানুষ বারবার তাঁদের নিজের দিনের মধ্যে আমার যাত্রার জন্য জায়গা করে দিয়েছেন।


চাঁদপুরের পর জোয়ারভাটার নিয়ম
পাবনা থেকে যমুনা ছেড়ে পদ্মায় এলাম। পাটুরিয়া, মাওয়া, মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুরের পাশ দিয়ে মেঘনায় পৌঁছে এল চাঁদপুর। পদ্মা–মেঘনার মিলনস্থল কায়াক থেকে দেখলে তার বিশালতা অন্যভাবে বোঝা যায়।

এর পর থেকে চলার নিয়ম বদলে গেল। ভাটায় দক্ষিণে এগোনো যায়, জোয়ারে স্রোত উল্টো দিকে ঠেলে দেয়। শীত এগিয়ে আসায় দিনের আলো কমছিল। জোয়ারভাটার সময়ও প্রতিদিন বদলায়। ফলে ইচ্ছেমতো সারাদিন বৈঠা চালানোর সুযোগ আর থাকল না।
বড় নদী আর দূরে দূরে বসতি দেখে ভেবেছিলাম রাতে থাকার জায়গা পাওয়া কঠিন হবে। হলো উল্টো। হাইমচর, মেহেন্দিগঞ্জ, আলেকজান্ডার—কখনো বাড়ি, কখনো কারও জায়গা, কখনো নির্মাণস্থলে আশ্রয় মিলেছে। নাসিরগঞ্জে সারিয়াকান্দি থেকে আসা কয়েকজন আগে থেকেই জানতেন যে আমি তাঁদের এলাকায় এক রাত থেকেছি। কায়াকে বাংলাদেশ অনেক বড়; মানুষের যোগাযোগে আবার আশ্চর্য ছোট।
১৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর–নোয়াখালী অংশের তালতলী বাজার ঘাটে পৌঁছানোর মধ্যে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার ও প্রায় ১৮ জেলা পেরিয়েছি। তত দিনে পরিষ্কার, ৩০ দিনে এই যাত্রা শেষ হচ্ছে না।
চার ঘণ্টা বৈঠা চালিয়ে পিছিয়ে গেলাম
নিজের জেলা নোয়াখালীর চেয়ারম্যান ঘাটে ইসমাইল তৌহিদ ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলো। আগে ফেসবুকে যোগাযোগ হয়েছিল; এবার তাঁর সহযোগিতা পথের অংশ হয়ে গেল। কাটাখালী থেকে সকাল নয়টার দিকে উড়িরচরের উদ্দেশে বের হলাম।
চরের চারপাশের স্রোত গোলমেলে। কয়েক ঘণ্টা চলেও বালুয়াঘাটের দিকে এগোতে না পেরে স্বর্ণদ্বীপের কথা ভাবছিলাম। দুপুর একটার দিকে অবস্থান দেখে বুঝলাম, সামনে যাওয়া তো দূরের কথা, দুই–তিন কিলোমিটার পিছিয়ে গেছি। একটি মাছধরা নৌকায় পৌঁছে তাৎক্ষণিক বিপদ থেকে বের হতে পারলাম। দুপুর দুইটার পর কাটাখালী থেকে জেলেদের দেখানো পথে আবার শুরু করে সন্ধ্যায় স্বর্ণদ্বীপে পৌঁছালাম।
পরে সন্দ্বীপের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে চ্যানেল পেরিয়ে মিরসরাইয়ের দিকে এলাম। নদীর অভিযান তখন উপকূলের অভিযানে বদলে যাচ্ছে। পথের মানুষের অভিজ্ঞতা মেনে পথ বদলানো আর সাহায্য গ্রহণ করাই আমাকে এগিয়ে নিয়েছে।
মাছধরা নৌকা, জাহাজ আর রাতের আশ্রয়
ভাটিয়ারি পেরিয়ে এক সন্ধ্যায় থাকার জায়গা না পেয়ে সরু খালে ঢুকলাম। সেখানে আলাউদ্দিনের মাছধরা নৌকা। তাঁরা ইলিশ ধরে ফিরেছেন, খালের পানি কমে যাওয়ায় জোয়ারের অপেক্ষায় আছেন। কয়েক দিন আগেই তাঁদের নৌকায় ডাকাতি হয়েছে। তবু আমাকে আপ্যায়নে কোনো দ্বিধা ছিল না। মশার জন্য একজন হাঁটুপানির কাদা পেরিয়ে কয়েল আনতে গেলেন। রাতে আমার পাতে ছয় টুকরা মাছ।
চট্টগ্রাম বন্দরে এসে চারপাশ একেবারে বদলে গেল। অসংখ্য লাইটার জাহাজ, দূরে বিশাল মাদার ভেসেল, আর তাদের পাশে আমার ছোট কায়াক। আল জাবের ৩-এর নাবিকদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে সেখানেই রাত কাটানোর ব্যবস্থা হয়ে গেল। কর্ণফুলীর মুখ পেরিয়ে মধ্য গহিরায় শৈবাল গহিরার বাড়িতে দুই দিন ছিলাম। নৌকা, জাল, মাছের বাজার আর জোয়ারভাটাকে ঘিরে সেখানকার জীবন।
আরও দক্ষিণে কুতুবদিয়ার কাছে একটি কয়লাবাহী জাহাজে সেলিম ভাই ও আশিক ভাই আমন্ত্রণ জানালেন। সেটি মাদার ভেসেল থেকে কয়লা আনতে যাবে শুনে অভিযানের নিয়মের চেয়ে কৌতূহল বড় হয়ে উঠল। আমিও দেখতে গেলাম।
একেক রাতে একেক রকম ক্যাম্প
পুরো অভিযানে কখনো নৌযানের ডেক, কখনো উঁচু মাচা, মাছধরা নৌকা, ঘরের ভেতর বা খোলা বালুচর হয়ে উঠেছে রাতের ঠিকানা। ভিন্ন ভিন্ন সেই ক্যাম্পের কয়েকটি ছবি একসঙ্গে থাকল এখানে।





পথের দূরত্বের মতোই মনে আছে আশ্রয় আর একসঙ্গে খাওয়ার মুহূর্তগুলো। যাত্রাজুড়ে পাওয়া আতিথেয়তার আরও দুটি স্মৃতি।


সমুদ্রের ঢেউয়ের চেয়ে কঠিন ছিল তীরে ফেরা
সাঙ্গুর মোহনা, মগনামা, উজানটিয়া ও মহেশখালীর চ্যানেল পেরিয়ে কক্সবাজারে পৌঁছালাম। এই অংশে জিসান দুই দিন সঙ্গে ছিল—আমি পানিতে, সে স্থলপথে।
এবার নতুন পরীক্ষা, তীরের কাছে ভাঙা ঢেউ। সৈকত থেকে কায়াক নামানো কঠিন, ফেরানোও কঠিন। শেষ কয়েকটি ঢেউয়ে কায়াক পানি ভরে ছোট সুইমিং পুল হয়ে যেত। দূরের বড় ঢেউয়ের চেয়ে তীরের এই ভাঙা ঢেউ বেশি সমস্যায় ফেলেছে। সাধারণত দিনে একবার কায়াক নামিয়ে অনুকূল জোয়ারভাটায় দীর্ঘ পথ এগিয়ে তারপর থামতাম।
ইনানীর পর পাথর ও প্রবাল থাকায় তীরে ওঠার জায়গা বাছাই আরও জরুরি হলো। নাঈম ও হিমু আগে গিয়ে সম্ভাব্য সৈকতগুলো দেখে কোথায় ওঠা সুবিধাজনক জানাত। তাঁদের সহযোগিতায় কক্সবাজার থেকে টেকনাফের বাকি অংশ চার দিনে শেষ করেছি।


শেষবার তীরে ওঠা
শেষ সকাল শুরু টেকনাফের নোয়াখালী পাড়ায়, রফিক ভাইয়ের পরিবারের মাটির ঘরে রাত কাটিয়ে। মাহবুব ভাই ও নূর নবী ভাই খাবারের ব্যবস্থা করেছিলেন। স্থানীয় অটোরিকশাচালকদের পিকনিকে আমাদের দেখে আরেকটি মুরগি চলে এল। আমরাও তখন পিকনিকের অংশ।
৪ ডিসেম্বর, অভিযানের ৪৮তম দিন। বিকেলের দিকে সামনে শাহপরীর দ্বীপ। উপকূল বাঁক নেওয়ায় ঢেউয়ের দিকও বদলে গেছে; বড় ঢেউ আগের চেয়ে দূরে ভাঙছে। ভাঙা ঢেউয়ের বাইরে থেকে ধীরে এগিয়ে তার ছন্দ দেখছিলাম, সুযোগের অপেক্ষা করছিলাম।
বাঁধের ওপর বন্ধু, ভাই আর অপেক্ষায় থাকা মানুষ। এত পথ এসে সবার সামনে শেষ মুহূর্তে উল্টে গেলে কী বলব, সেই বাড়তি চিন্তাও ছিল। তারপর ফাঁক পেলাম। তীরের দিকে ঘুরে জোরে বৈঠা চালালাম। বিকেল প্রায় পাঁচটায় শাহপরীর দ্বীপের সৈকতে কায়াক উঠল। মানুষ বাঁধ থেকে নেমে ছুটে এলেন।


নদীর কাছে আমাদের ফিরে যাওয়া দরকার
এই পথে প্রায় শুকিয়ে যাওয়া তিস্তা দেখেছি, বড় নদীর শক্তি দেখেছি, চর ভাঙতে ও গড়তে দেখেছি। মাছধরা জনপদের পাশাপাশি শহরের বর্জ্যে কালো হয়ে যাওয়া পানিও পেরিয়েছি। পাশে নদীর পাড় ভাঙলে ভাঙন আর শুধু পরিসংখ্যান থাকে না। দূষিত পানি হাতে লাগলে দূষণও দূরের খবর থাকে না।


ছবি, ভিডিও আর পথের আপডেটে নদীনির্ভর জীবিকা, জীববৈচিত্র্য ও বদলে যাওয়া ভূদৃশ্যের চলমান দিনলিপি তৈরি হয়েছে। মিডিয়া পার্টনার হিসেবে একাত্তর টেলিভিশন এবং প্রথম আলোর শনিবারের আয়োজন ছুটির দিন যুক্ত হয়েছিল। তাদের মাধ্যমে গল্পগুলো কায়াকের চেয়ে অনেক দূরে পৌঁছেছে।
অভিযানটি শারীরিক চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু তার দীর্ঘস্থায়ী অর্থ মানুষের সঙ্গে পরিচয় আর নদীকে কাছ থেকে দেখা। কায়াকিং, রোয়িং, পালতোলা নৌকা ও দায়িত্বশীল জলভ্রমণ আমাদের নিজের দেশকে জানার সুযোগ দিতে পারে। সেই সঙ্গে আবহাওয়া, জোয়ারভাটা, দিকনির্ণয়, তীরে ওঠার জায়গা ও নিজের সিদ্ধান্তের সীমা বুঝতে শেখায়।
আমি চাই এমন যাত্রা আরও মানুষকে নিজের কাছের নদী নিয়ে কৌতূহলী করুক। প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক থাকলে তাকে রক্ষার কথার ব্যক্তিগত অর্থ তৈরি হয়। অবহেলায় আরও নদী হারানোর আগে আমাদের ফিরে যেতে হবে—ভ্রমণে, খেলায়, শেখায়, মানুষের কথা শোনায় এবং নদীর পক্ষে কথা বলায়।
ধন্যবাদ, দ্য সার্কেল
তিস্তা–টেকনাফ অভিযানের টাইটেল স্পনসর দ্য সার্কেলকে আন্তরিক ধন্যবাদ। এই যাত্রার অংশ হয়ে, পাশে থেকে অভিযানটি বাস্তবে রূপ দিতে তারা সহায়তা করেছে। পুরো পথজুড়ে তাদের দল আন্তরিকভাবে সাহায্য করেছে, প্রয়োজনে পাশে থেকেছে। এই ৪৮ দিনের যাত্রায় তাদের সহযোগিতা আর ভিডিও সিরিজের মাধ্যমে গল্পগুলো আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
তিস্তা নদী থেকে শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, বাংলাদেশ
সংবাদ প্রকাশনা
এই অভিযানের প্রতিবেদন, সাক্ষাৎকার ও ফিচার। মূল সংবাদ পড়তে বা দেখতে নিচের সংবাদচিত্রে চাপ দিন।

নদীপথের গল্প
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗
ছোট কায়াকে হাজার কিলোমিটার পথ
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗
৪৮ দিনে কায়াকে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗
জলপথের অভিযাত্রী
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗
নদীপথে একাই তিস্তা থেকে টেকনাফ
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗
তিস্তা, যমুনা, পদ্মা, মেঘনা হয়ে বঙ্গোপসাগরে
সংবাদ পড়ুন / দেখুন ↗আরও পড়ুন

অভিযান
বঙ্গচক্র: বাংলাদেশের সীমান্তরেখা ধরে ৫,০০০+ কিলোমিটারের সাইকেল অভিযান
বাংলাদেশের প্রান্ত ঘিরে পরিকল্পিত ৯০ দিনের সাইকেলযাত্রার অংশীদারিত্ব প্রস্তাব। প্রায় ৪০ জেলার মানুষ, পথ ও গল্পকে কমিউনিটি রাইড এবং মাঠপর্যায়ের কনটেন্টে যুক্ত করার উদ্যোগ।

অভিযান
সুরমা–সুন্দরবন: বাংলাদেশে পরিকল্পিত একক কায়াক অভিযান
বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত প্রায় ৭০০ কিলোমিটারের পরিকল্পিত একক কায়াক অভিযান। ইনতিয়াজ মাহমুদের সঙ্গে নদী, মানুষ ও পথের গল্পে অংশীদার হওয়ার আমন্ত্রণ।

অভিযান
লঙ্কাচক্র: সাইকেলে শ্রীলঙ্কার চারদিকে ১,৫০০ কিলোমিটার
সুবাহকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীলঙ্কার চারদিকে সাইকেলযাত্রা— ২১ রাইডিং ডে, তীব্র গরম, হেডউইন্ড, অফিসের কাজ, বন্যপ্রাণী আর অচেনা মানুষের ভালোবাসা।

অভিযান
পিসাং পিক সোলোঃ বাংলাদেশের প্রথম সফল শীতকালীন সোলো পর্বতারোহণ অভিযান
নেপালের ৬,০৯১ মিটার পিসাং পিকে শীতকালীন, সেলফ-সাপোর্টেড আরোহণ — বাংলাদেশের কোনো পর্বতারোহীর প্রথম একক ছয়-হাজারী সামিট।
